Header Ads

Header ADS

  73/14 নামায এবং ঋন প্রদান করা 




وَأَقِيمُوا الصَّلَاةَ وَآتُوا الزَّكَاةَ وَأَقْرِضُوا اللَّهَ قَرْضًا حَسَنًا ۚ


(আল মুয্‌যাম্মিল - ২০)


* নামাজের দরকার আছে কিনা,জানাজায় কয় লোকটি আছে,মুসলমান চিনার প্রতিক নামায


* হাউযে কাউছার নবী সা: পিলাবেন


* হাজার উম্মত কিভাবে চিনবেন




مُحَمَّدٌ رَّسُوۡلُ اللّٰہِ ؕ وَ الَّذِیۡنَ مَعَہٗۤ اَشِدَّآءُ عَلَی الۡکُفَّارِ رُحَمَآءُ بَیۡنَہُمۡ تَرٰىہُمۡ رُکَّعًا سُجَّدًا یَّبۡتَغُوۡنَ فَضۡلًا مِّنَ اللّٰہِ وَ رِضۡوَانًا ۫ سِیۡمَاہُمۡ فِیۡ وُجُوۡہِہِمۡ مِّنۡ اَثَرِ السُّجُوۡدِ ؕ ﴿٪۲۹﴾ 


সূরা আল ফাত্‌হ আয়াত: ২৯




إِنَّا أَعْطَيْنَاكَ الْكَوْثَرَ


فَصَلِّ لِرَبِّكَ وَانْحَرْ




পুনরায়  


 وَأَقِيمُوا الصَّلَاةَ وَآتُوا الزَّكَاةَ وَأَقْرِضُوا اللَّهَ قَرْضًا حَسَنًا ۚ


(আল মুয্‌যাম্মিল - ২০)




* বিক্ষা ভাংগা বাসনে যায়




* রিন এখন ইন্টারেষ্ট হয়ে গেছে




* লাভ নাই ধংকা করে দিব


وَمَنْ أَعْرَضَ عَن ذِكْرِي فَإِنَّ لَهُ مَعِيشَةً ضَنكًا وَنَحْشُرُهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ أَعْمَىٰ


(ত্বোয়াহ - ১২৪)


মনে হয় সুখী ভেতরের অবস্হা ভিন্ন রকম,আল্লাহ ধংকা করে দেন




শান্তির জন্য দুনিয়া পাগল,


আমাদের চিন্তা সম্পদে শান্তি,


যাকে দেখলে সুখি মৱে হয়,প্রকৃত দুখি সেই,


* খিজির আ: কাছে কয় হুজুর সুখি হতে চাই, ( ওয়াজ ও খুতবা-২/ ১৮৩)




* গুনার মধ্য চুলকানীর স্বাধ,


আসল স্বাধ ইবাদতের মধ্য,ইব্রাহিম ইবনে আদহাম অর্জন করে ছিলেন,যার ফলে বাদশাহীর মজা ছেরে ইবাদতকে বেচে নিয়েছেন,( ওয়াজ ও খুতবা- ২/ ১৮৭)




* লিংগ কাটার ঘটনা




* ,,ঋৃন পরিশোধের দোয়াঃ কৃতদাস কয়, আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত,


 করজে হাসানাহ




وَأَقِيمُوا الصَّلَاةَ وَآتُوا الزَّكَاةَ وَأَقْرِضُوا اللَّهَ قَرْضًا حَسَنًا ۚ


(আল মুয্‌যাম্মিল - ২০)


তোমরা নামায কায়েম কর, যাকাত দাও এবং আল্লাহকে উত্তম ঋণ দাও।




* বিক্ষা ভাংগা বাসনে যায়




* রিন এখন ইন্টারেষ্ট হয়ে গেছে




* লাভ নাই ধংকা করে দিব




* লিংগ কাটার ঘটনা




**************************************


*বালা-মুছিবতের দ্বিতীয় কারণঃপর্ব-১১ *


~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~


দ্বিতীয় কারণ হলো পরীক্ষা করার জন্যে দুঃখ-কষ্ট দেওয়া।মালিক তার কর্মচারীকে পরীক্ষা না করে প্রমোশন দেয়না। দুনিয়াতেএমন কেউ নাই যে তার


 কর্মচারীকে বা খাদেমকে পরীক্ষা না করে চাকরীতে বহাল করেছে অথবা প্রমোশন দিয়েছে। 


আল্লাহ তায়ালা ও তেমনি আমাদেরকে কিছু কাজ দিয়ে দুনিয়াতে পাঠিয়েছেন। এই কাজটি হলো ইবাদাতের কাজ। এই কাজের পরীক্ষা নেওয়া হয়। পরীক্ষায় টিকে থাকলে প্রমোশন দেওয় হয়।পরীক্ষায় না টিকতে পারলে প্রমেশন দেওয়া হয় না।পরীক্ষার বিষয় -বস্তু হলো দুঃখ-কষ্ট।যেমন পবিত্র কুরআনে সূরা বাকারার ১৫৫নং আয়াতে ইরশাদ হয়েছেঃ-وَلَنَبۡلُوَنَّكُمۡ   


  بِشَىۡءٍ مِّنَ الۡخَوۡفِ وَالۡجُوۡعِ وَنَقۡصٍع مِّن 


 الۡاَمۡوٰلِ وَالۡاَنۡفُسِ وَالثَّمَرٰتِؕ وَبَشِّرِ الصّٰبِرِيۡنَ


 আর নিশ্চয়ই আমরা ভীতি, অনাহার, প্রাণ ও সম্পদের ক্ষতির মাধ্যমে এবং উপার্জন ও আমদানী হ্রাস করে তোমাদের পরীক্ষা করবো। এ অবস্থায় যারা সবর করে তাদের জন্য শুভ সংবাদ।(সূরাঃবাকারা-১৫৫)


সুতরাং দুঃখ-কষ্ট ছাড়া কোন মানুষের জীবন নাই।আমরা বুঝতে পারি না তাই বলে থাকি যে আমার চেয়ে দুঃখী আর কেউ নাই।অথচ অন্য লোক যাদেরকে দেখতে দেখা যায় কোন দুঃখ নাই সেটা আমার দুঃখের মত নয়, অন্য ভাবে দুঃখে জড়িত হয়েছে।তাই বুঝতে পারি না।খোজ নিলে দেখা যাবে তার কষ্ট আমার চেয়ে অনেক বেশী।এরূপ একটি ঘটনা এখানে বর্ণনা করলে বিষয়টি পরিষ্কার বুঝতে পারবেন।


জুয়েলারী দোকানের মালিকের কষ্টঃ


~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~


একব্যক্তি ছিল।তার খিযির( আঃ) এর সাথে সাক্ষাৎ করার খুব সাধ জাগলো । একদিন সত্যি সত্যি খিযির( আঃ) তার সামনে এসে হাজির হলেন এবং শুধালেন,"কেন এত সাধ হয়েছে এই সাক্ষাতের? "লোকটি আরয করলো, "হুযুর, আমাকে দোয়া করেন আমি যেন দুনিয়াতে সকল দুঃখ-কষ্ট থেকে মুক্তি লাভ করে নিশ্চিন্তে এবং নির্ভাবনায় জীবন যাপন করতে পারি।"হযরত খিযির (আঃ) বললেন,"এভাবে দোয়া নয়। বরং তোমার দৃষ্টিতে দুনিয়াতে যাকে সুখী মনে হয় তুমি তার মত যেন হতে পার সেই দোয়া করিয়ে নাও।




লোকটি বললো, 'ঠিক আছে তাই হবে। আমি সুখি ব্যক্তি খুঁজে দেখছি। 'খিযির (আঃ) তখন চলে গেলন। লোকটি সুখী ব্যক্তি খুজতে লাগলো,বহু খোঁজাখুঁজির পর একদিন এক জুয়েলারী দোকানের মালিককে দেখতে পেলো,এমন সুন্দার চেহারা, এত ভাল স্বাস্থ্য আর এমন হাসি-মাখা মুখ কোথাও হয় না।ধন-সম্পদ,সুন্দরী স্ত্রী,স্বাস্থ্যবান সন্তান-সন্তুতি,আরামের বাসস্থান আর আয়েশের সকল বস্তুই তার আছে।সে দেখেই বুঝতে পারলো যে এর চেয়ে সুখী ব্যক্তি দুনিয়ায় আরএকজনও নাই।লোকটি ভাবলো, আমাকে এর মতই হতে হবে। তবে দোয়া করানোর আগে লোকটির ভিতরের খোঁজ-খবর নেওয়া যাক, এমন যেন না হয় যে যদি গোপনে তার কোন শোক -দুঃখ থেকে থাকে তবে তা'আমার ভাগে পড়ে যায়।'এইভেবে লোকটি তার কাছে সাক্ষাৎ করে বললো, দেখুন আমি আপনার মত সুখী জীবন লাভ করার জন্যে খিযির (আঃ) এর কাছে দোয়া করাতে চাই। আমার দৃষ্টিতে আপনার মত সুখি ব্যক্তি আর একজনও নাই এব্যপারে আপনার মতামত কী?"জুয়েলারীর মালিক একটি দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলে বললো, "আর বলবেন না, ভাই!আমার সবই আছে। কিন্তু তবু এমন এক গোপন দুঃখে ডুবে আছি যা'ব্যক্ত করার নয়। আল্লাহ যেন আমার দুশমনকেওএইকষ্টটি না দেন।"


সেই গোপন দুঃখটি কী, সেটা জানার জন্যে লোকটি তার কছে বার বার অনুরোধ জানাতে লাগলো। অবশেষে মালিক তার জীবনের ইতিহাস বলতে লাগলো, 'আমার স্ত্রী ছিলেন সম্ভ্রান্ত পরিবারের এক অপূর্ব সুন্দরী যুবতী। তার সৌন্দর্যে আমি মুগ্ধছিলাম। তার প্রতি প্রবল ভালবাসা আমাকে পাগল করে তুলেছিল।উঠতে-বসতে, চলতে-ফিরতে সর্বদাই তার কথা ভাবতাম। একবার স্ত্রীর অসুখ হলো, ভীষণ অসুখ। স্ত্রী আর বাঁচবেন না বুঝতে পারলাম। তাই তার মৃত্যু-শয্যার পাশে বসে কাঁদতে লাগলাম।স্ত্রী আমাকে সান্তনা দিয়ে বলতে লাগলেন,'খামোখা কেঁদে মন খারাব করবেন না।আমার মৃত্যুর পরে আরেকটি বিয়ে করে নিবেন।'আমি তাকে বিশ্বাস করানোর চেষ্টা করলাম,'এরূপ হতেই পারে না। তোমাকে ছাড়া আমি অন্য কোন নারীকে পসন্দ করতে পারি না।'স্ত্রী বললেন,'ওটা একটা কথার কথা মাত্র।সব ঠিক হয়ে যাবে।থাক, কাঁদতে নাই' কিন্তু আমি তাকে কী দিয়ে বিশ্বাস করাই?মৃত্যুর সময় ঘনিয়ে এসেছে, বিশ্বাস তাকে করাতেই হবে। মৃত্যুর আগে অন্ততঃ সে জেনে যাক যে সে-ই আমার সবচেয়ে বড় সম্পদ। তাকে হারালে আমি নিঃসহায় হয়ে পড়বো। কিভাবে বিশ্বাস করাই সর্বক্ষণ সেই চিন্তাই করতাম। একদিন তার শয্যার পাশে বসে কাঁদছি। সে তখন আমাকে সান্তনা দিয়ে বারবার বলছে, 'স্ত্রী মারা গেলে পুরুষদের বিয়ে করা কোন দোষের নয়।আমার মৃত্যুর পর আপনি বিয়ে করবেন এ কথা জানতে পারলে আমি খুশী হয়ে মরতে পারী। একথা শুনে আমার জিদ আরো চেপে বসলো। তাকে এ কথাটি বিশ্বাস করাতেই হবে যে, তার মৃত্যুর পর আমি আর বিয়ে করবো না।আমার মাথায় তখন একটি বুদ্ধি জাগলো। আমি আমার পুরুষাঙ্গটি কেটে তার সামনে রেখে দিলাম। আর বললাম, নাও এবার অবশ্যই বিশ্বাস হবে, তোমার মৃত্যুর পর কোন নারীকে আমার প্রয়োজন হবেনা। 'এই দৃশ্য দেখে স্ত্রী অবাক হলেন।আমার ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে দিন কাটাতে লাগলেন। কিছু দিন পর দেখা গেল স্ত্রী সুস্থ্য হয়ে উঠেছেন।সেই সৌন্দর্য, সেই যৌবন, সেইমন কেড়ে নেওয়া চাহনি, সবই আছে তার,কিন্তু আমার কিছুই নাই।বাড়ীটা আমার মরুভূমি,তৃষ্ঞার্ত এক চাতক পাখীর মত সে আমার দিকে চেয়ে থাকে, আমি তাকে কিছই দিতে পারী না।এখন যে কত দুঃখ নিয়ে জীবন কাটাচ্ছি তা'ব্যক্ত করা সম্ভব নয়।


এই করুন ইতিহাস শোনার পর লোকটি বাড়ী ফিরে এসে চিন্তা করতে লাগলো। যে-লোকটি কে দুনিয়াতে সব চেয়ে সুখী মনে হলো সে আমার চেয়ে ও দুঃখী।সুতরাংএ দুনিয়াতে সুখ হবে না।সুখ পরকালেই হবে। 


অতএব পরকালে সুখী হওয়ার চেষ্টা করাই ভাল। ঘটনাক্রমে একদিন আবার খিযির (আঃ) এর সাথে তার দেখা হলো। লোকটি আরয করলো, "হুযূর, আমি বুঝতে পেরেছি এই দুনিয়ায় কেহ সুখী জীবনের অধিকারী হতে পারে না।আমাকে বরং পরকালের জন্যে দোয়া করুন।যেন আমার পরকাল ঠিক হয়ে যায়। 


একথা সত্য যে দুঃখ-কষ্টে ফেলার জন্যেই আল্লাহতায়ালা মানুষকে দুনিয়াতে পাঠিয়েছেন।এই দুঃখ শেষ হবে জান্নাতে প্রবেশের পর। তার আগে জীবনের দুঃখ-কষ্টকে তারাই শুধু দূর করতে পারবে যারা দুনিয়াকে জান্নাত বানাতে পেরেছে। দুনিয়াকে জান্নাত বানানো যায় কিভাবে? পরহেজগার ব্যক্তিকে এ-প্রশ্ন করলে তাঁরা এই জওয়াব দিবেন।,"জান্নাত হলো সে-টাই যেখানে কষ্ট নাই।কারো সঙ্গে কারো কোন প্রয়োজন নাই।" আল্লাহর সঙ্গে ঘনিষ্ট সম্পর্ক হয়ে গেলে দুনিয়ার কোন মানুষের কাছে বান্দার কোন প্রয়োজন থাকে না। এক আল্লাহ-ই তাকে সবকিছু দেন।আল্লাহর রহমতের ধারা অনবরত তার মাথায় বর্ষিত হতে থাকে। দুনিয়া তখন তার জন্যে বেহেশত হয়ে যায়।আল্লাহর সঙ্গে এত গভীর ভালবাসা হয়ে যায় যে তাঁর দেওয়া দুঃখ-কষ্টের মধ্যে বেহেশতী সুখ পাওয়া যায়।আল্লাহকে ভালবাসলে তাঁর দেওয়া আঘাত ও ভাল লাগবে।


বন্ধুর দেওয়া আঘাতঃ


~~~~~~~~~~~~~~~~


বন্ধুর তীরের আঘাত সহ্য হয়,কিন্তু শত্রুর ফুলের পাপড়ির আঘাতও সহ্য হয় না।দুনিয়ায় যদি কোন বন্ধুর সাথে ঘনিষ্ট ভালবাসা থাকে,তাকে পাওয়ার জন্যে দিন গুনতে থাকেন।আর অনেক দিন পর বন্ধু যদি ফিরে এসে আপনার পিছন থেকে আপনার পীঠে আনন্দের অতিশয্যে একটি কিল কষে মারে,তখন সামনের দিক থেকে বন্ধুকে না দেখতে পেরে মনে হবে কিলের আঘাতে পীঠটা ভেঙ্গে গেছে। আপনি তাকে ও একটা কিল মরার জন্যে পিছনে ফিরে দেখেন আপনার সেই হারানো বন্ধুটি ফিরে এসেছে।তখন কিল মারার পরিবর্তে আনন্দের অতিশয্যে তাকে জড়িয়ে ধরবেন এবং বলবেন এই কিল আমার জন্যে অনেক বড় পাওয়া। বন্ধুকে ফিরে পাওয়ার আনন্দে পীঠের আঘাত অনুভব করা যাবে না।কারণ আঘাতটি বন্ধুর ভালবাসার দান।বন্ধুগণ বেশী বেশী শেয়ার করুন আপনি ও দাওয়াতের সওয়াব পাবেন,ইনশা-আল্লাহুতায়ালা।(চলবে)




,,ঋৃন পরিশোধের দোয়াঃ


আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত, একজন


‘মুকাতিব’ (লিখিত চুক্তি অনুযায়ী নির্দিষ্ট


পরিমান অর্থ দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ কৃতদাস)


তাঁর নিকট এসে নিবেদন করল, ‘আমি


আমার নির্ধারিত অর্থ দিতে অপারগ,


অতএব আপনি আমাকে সাহায্য করুন।’ (এ


কথা শুনে) তিনি বললেন, ‘তোমাকে কি


এমন দুআ শিখিয়ে দিব না, যা রাসুলুল্লাহ (সাঃ)


আমাকে শিখিয়েছিলেন? যদি তোমার


উপর পর্বত সমপরিমান ঋণও থাকে,


তাহলে আল্লাহ তা’আলা তোমার পক্ষ


থেকে তা পরিশোধ করে দেবেন।


বল,


ﺍﻟﻠّﻬُـﻢَّ ﺍﻛْﻔِـﻨﻲ ﺑِﺤَﻼﻟِـﻚَ ﻋَﻦْ ﺣَـﺮﺍﻣِـﻚ، ﻭَﺃَﻏْﻨِـﻨﻲ ﺑِﻔَﻀْـﻠِﻚِ


ﻋَﻤَّـﻦْ ﺳِـﻮﺍﻙ


‘আল্লা-হুম্মাকফিনী বিহালা-লিকা আন হারা-


মিকা, ওয়া আগনিনী বিফাদ্বলিকা ‘আম্মান


সিওয়া-ক।’


"হে আল্লাহ তুমি তোমার হারাম বস্তু


হতে বাঁচিয়ে তোমার হালাল রিযিক দ্বারা


আমাকে পরিতুষ্ট করে দাও ।( হালাল রুজিই


যেন আমার জন্য যথেষ্ট হয় ) এবং


হারামের দিকে যাওয়ার প্রয়োজন এবং


প্রবণতা বোধ না করি এবং তোমার


অনুগ্রহ অবদান দ্বারা তুমি ভিন্ন অন্য সকল


হতে আমাকে অমুখাপেক্ষী করে


দাও। ( তুমি ছাড়া যেন আমাকে আর


কারো মুখাপেক্ষী


হতে না হয় )।"


[তিরমিযী ৫/৫৬০, হিসনুল মুসলিম পৃষ্ঠা : ১৫৬]।ক




* ঋনগ্রস্থকে সুযোগ প্রদান করে কিয়ামাতে আরশের ছায়ায় আশ্রয় 




* কর্জ দাতাকে ক্ষমা করলে আল্লাহ ক্ষমা করলেন

No comments

Powered by Blogger.